শিরোনাম :

মহেশখালীতে হামলার ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

তারেক আজিজ, মহেশখালী / ২২ জন
আপডেট সময় : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

মহেশখালীতে মামুনুল হক ইস্যুতে হেফাজতের তান্ডবে আওয়ামী লীগ অফিসসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বুধবার দুপুরে বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগকৃত অফিস পরিদর্শন করা হয়।
হেফাজতের তান্ডবের ঘটনায় জড়িত দুস্কৃতিকারীদের কেউ রেহাই পাবে না বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।
৭ এপ্রিল বুধবার দুপুরে মহেশখালীতে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভায় তিনি এ কথা বলেন। পরে উপজেলা পরিষদের হলরুমে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) মোঃ মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিন আল পারভেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ঢাকা থেকে টেলিফোনে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।
এছাড়াও কক্সবাজার ডিজিএফআইয়ের অধিনায়ক, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক, কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আনোয়ারুল আজিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, আনসার ভিডিপির জেলা এডজুটেন্ট, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান, মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া প্রমুখ।
সভায় মহেশখালীর সার্বিক নিরাপত্তা ও হেফাজতের হামলা পরবর্তী করনীয় নিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সভা শেষে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ বলেন, “জাতির পিতা, প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনায় জড়িতরা যতো বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। প্রত্যেক হামলাকারীর স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি আছে। সেইসব দেখে দেখে গ্রেফতার করা হবে নাশকতাকারীদের।”
এর আগে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।
উল্লেখ্য, গেলো ৩ এপ্রিল রাতে মামুনুল হক ইস্যুতে মহেশখালীর বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের মিছিল থেকে হামলা ও তান্ডব চালানো হয়। এসময় বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়, থানা ও উপজেলা পরিষদ কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করে।
এ নিয়ে দায়ের করা তিনটি মামলায় মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেক রহমান জুয়েলসহ ৫ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর