শিরোনাম :

রামুতে পাহাড় খেকোঁদের বিরুদ্ধে অভিযান

হাবিবুর রহমান সোহেল। / ৪১৭ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০

রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়নের কোথায়ও অবৈধ পাহাড় কাটতে দেওয়া হবে না বলে আবারও পরিস্কার জানিয়ে দিলেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রয়ন চাকমা।

তিনি বলেন, অবৈধ পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে তিনি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। যেখানে পাহাড় কাটা, বনবিভাগের জায়গা ও সরকারী জায়গা দখলের খবর পাওয়া যাবে, সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের জ্বিনের ঘোনা এলাকা থেকে বন বিভাগের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে পাহাড় কর্তনের সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।অভিযানে পাহাড় কর্তনের দায়ে ১জনকে ১বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন প্রণয় চাকমার ভ্রাম্যমান আদালত। পরে ওই ব্যক্তি দোষ স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন অভিযান পরিচালনাকারী দল।

এছাড়াও রামুর বিভিন্ন এলাকাসহ কচ্ছপিয়াতে পাহাড় খেকোঁ বেড়ে যাওয়ায় যৌথ অভিযানে নামেন, উপজেলা প্রশাসন রামু ও বনবিভাগ।

কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পূর্বতিতার পাড়া মুরা পাড়াতে, সরকারী বনবিভাগের বিশাল পাহাড় কেটে বসতি নির্মান করছে এমন খবর অনলাইন ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, তা উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের নজরে আসে।

যার প্রেক্ষিতে ১৮ জুলাই শনিবার সকাল ১১ টায়, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রনয় চাকমার নেতৃত্বে, বাকঁখালী রেন্জকর্মকর্তা একেএম আতা ইলাহীর সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে বনবিভাগের জায়গায় পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি গুড়িয়ে দিয়ে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় গাছের চারা লাগিয়ে দেন। অভিযানে সহায়তা করেন, রামু থানার এএসআই আরিফসহ একদল পুলিশ।

রেন্জ অফিসার একেএম আতা ইলাহী জানান, ‘পাহাড়ে যৌথ অভিযানের টের পেয়ে, পাহাড় খেকোঁ রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পূর্বতিতার পাড়া মুরা পাড়ার মৃত মোঃ কালুর ছেলে, নুরুল হক প্রকাশ চিট্টা মৌলভির নেতৃত্বে, নুরুল আলম, ছৈয়দ, রুহুল আমিন ও মোক্তার সহ অজ্ঞাত সংঘবদ্ধ ১০/১৫ জন পালিয়ে যায়। বাকঁখালী রেন্জ অফিসার, পালিয়ে যাওয়া পাহাড় খেকোঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের আটক করে, আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে নিশ্চিত করেন বনবিভাগের এই কর্মকর্তা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা জানান, সরকারী জায়গায় পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলাও দেওয়া হয়েছে। ওই জায়গায় আবার কেউ দখল করতে আসলে তাদের বিরুদ্ধে কঠুর হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন ইউএনও। তাছাড়া, রামুতে পাহাড় কাটা, বাল্য বিবাহ, অবৈধ বালি উত্তোলনসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেন ইউএনও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর