শিরোনাম :
চকরিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন অনুমোদনহীন স্থাপনার বিরুদ্ধে কউক এর অভিযান চকরিয়ায় মা-ছেলেকে তিনদিন ধরে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতা রিয়াদের সাথে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের শুভেচ্ছা বিনিময় মহেশখালীতে নিখোঁজের ৫ দিন পর স্বামীর বাড়ির আঙিনা হতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মহেশখালীতে নিখোঁজের ৫ দিন পর গৃহবধুর লাশের সন্ধান পেকুয়ায় যুবককে পিঠিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিল দূর্বৃত্তরা চকরিয়ায় নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত রামু জোয়ারিয়ানালায় বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

লামায় বন্যহাতির আক্রমণ ঠেকাতে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম গঠন

এম. মিজানুর রহমান, লামা। / ১১৩ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বন্যহাতির আক্রমণ হতে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রক্ষায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কুমারী এলাকায় ১০ সদস্য বিশিষ্ট ইআরটি (এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম) গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

লামা বন বিভাগ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের যৌথ আয়োজনে ফাঁসিয়াখালী ইউপির কুমারী এলাকায় প্রথম বারের মত এ কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটির সদস্যদেরকে মঙ্গলবার দিনব্যাপী কুমারী বাজারে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনও করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ইআরটি গ্রুপ কে হাতির জীবন যাত্রা, চলফেরা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারনা দেয়া হয়। কাগজে কলমে ধারনার পাশাপাশি গ্রুপ টিকে ব্যবহারিক ভাবে হাতির আক্রমণ প্রতিহত করার কৌশল শিক্ষা দেয়া হয়।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জার মো. ইসমাইল হোসেন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য্য ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, চকরিয়ার ভারপ্রাপ্ত তর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়া অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নুরে আলম হাফিজ, কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি হুমায়ুন কবির, ইউপি মেম্বার মো. আলমগীর চৌধুরী সহ প্রমূখ।

লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নুরে আলম হাফিজ বলেন, এশিয়ান হাতি বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ আকৃতির স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী। হাতি হলো ফ্ল্যাগশিপ প্রজাতি এবং এদেরকে ফরেস্ট ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়। আইইউসিএন বাংলাদেশ ২০১৫ সালের লাল তালিকা অনুযায়ী, এশিয়ান হাতি মহাবিপন্ন প্রজাতির তালিকাভুক্ত।

বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় এদের বিস্তৃতি রয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কারণে টেকনাফ ও কক্সবাজারের আবাসিক ও অনাবাসিক হাতির আবাসস্থল ধ্বংস, করিডোর বিনষ্ট ও খাদ্যের অভাবসহ নানা প্রতিকূলতার কারণে এশিয়ান হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। ফলে হাতি-মানুষের দন্দ্ধ বেড়েই চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর