শিরোনাম :

কক্সবাজারে ২০২০ সালে ৩৭৯ প্রতিষ্ঠানকে ২০ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা

শাহেদ ফেরদৌস হিরু। / ৭৪ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১

কক্সবাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২০২০ সালে বিভিন্ন অভিযানে ভোক্তা অধিকার আইনে ৩শ ৭৯ প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন আইনে ২০ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবং দায়েরকৃত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জরিমানার অর্থের একটি অংশ হিসেবে অভিযোগকারী পেয়েছেন ২৫% হিসেবে ৫৭ হাজার টাকা।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।

অফিস সূত্রে জানা যায়, ভোক্তা অধিকারের বিভিন্ন আইনে ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে ৭২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫শ টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ২৩ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা, মার্চে ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষ ৪ হাজার ৫শ টাকা, এপ্রিলে ১৩ প্রতিষ্ঠানকে ৭৪ হাজার টাকা, মে মাসে ৬১ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫শ টাকা, জুন-জুলাই মাসে ৫৮ প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৫শ টাকা, আগষ্ট মাসে ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা, সেপ্টেম্বর মাসে ২৮ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষ ৭ হাজার টাকা, অক্টোবর মাসে ২৪ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা, নভেম্বর মাসে ২৭ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা, ডিসেম্বর মাসে ২৫ প্রতিষ্টানকে ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও দায়েরকৃত আমলযোগ্য অভিযোগ তদন্তে প্রমাণি হওয়ায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা ৭৬(৪) অনুযায়ী আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগকারীকে প্রদান করা হয়। যার অংশ হিসেবে অভিযোগকারী ফেব্রুয়ারি মাসে পেয়েছেন ১২শ ৫০ টাকা, মার্চ মাসে ১৪ হাজার ৭শ ৫০ টাকা, জুন মাসে ৫শ টাকা, জুলাই মাসে ২ হাজার ৫শ টাকা, আগস্ট মাসে ১ হাজার টাকা, সেপ্টেম্বর মাসে ২ হাজার ৫শ টাকা, অক্টোবর মাসে ৩২ হাজার ৭শ ৫০ টাকা, নভেম্ভর মাসে ১ হাজার ৭শ ৫০ টাক

ফারুক নামের এক অভিযোগকারী সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ২০২০ সালে অতিরিক্ত বিল আদায়ের কারনে শহরের সী সাইড হসপিটালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরাবর। অভিযোগের ৪৮ ঘন্টার ভিতরে ঐ হসপিটালে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত বিলের সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার। যার অংশ হিসেবে ২৫ শতাংশ পেয়েছি আমি। এ রকম একটি আইনের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

কক্সবাজার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন বলেন, যোগদানের পর থেকে এই পর্যন্ত নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরী ও সংরক্ষণ, দোকানে মূল্য তালিকা না থাকা, আমদানীকারকের নাম না থাকা, পণ্যের উপর নির্ধারিত মেয়াদে ও টাকার উপর ঘষামাজা করা, প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, মাস্ক ছাড়া খাবার তৈরী করাসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার আইনে কক্সবাজার শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় এ জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের সাস্থ্যবিধি মেনে চলা, মূল্য বেশি না রাখা, অনুমোদনহীন পণ্য না রাখার জন্য পরামর্শ দেন তিনি। এবং জনস্বার্থে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের বাজার তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর